বুধবার, ০৩ Jun ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন

News Headline :
ছাগলকাণ্ডের মতিউরকেও ছাড়িয়ে গেলেন এনবিআরের সহিদুল: ঢাকায় ৫৩ ফ্ল্যাট সম্পদ ৪০০ কোটির! রাজশাহী নগরীতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন হামলা নারীসহ আহত ৪ রাজধানীর শিশু রামিসা হত্যা মামলায় বোন রাইসা আক্তারের ক্যামেরা ট্রায়ালে সাক্ষ্যগ্রহণ দ্রুত সময়ের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পাবনা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাবনার বেড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দেশী অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও সার্কাস অনুষ্ঠিত পাবনার চাটমোহরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিক পালিত পাবনার ঈশ্বরদীর লোকোশেড মাদকের আড্ডা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে কুষ্টিয়ায় ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-৩২

নান্দনিক ফুলের কোমল পরশে কিশোরগঞ্জ ওসি’র আইনি সহায়তা

Reading Time: 2 minutes

মোঃ মিজানুর রহমান কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।

থানা মানে পুলিশ, অস্ত্র, হাজত, অভিযোগ, নথিপত্র ইত্যাদি জটিল বিষয়ে সমষ্টিগত কার্যালয়। বিপদগ্রস্ত মানুষ প্রতিকারের আশায় এখানে আসেন। কোন অবস্থায় পরিপ্রেক্ষিতে তারা থানায় আসেন তা কারও অজানা নয়। থানা নিয়ে অনেকের মনে জুজুরও ভয় রয়েছে। থানাকে অনেকে ভয় পান যদিও বলা হয় পুলিশ জনগণের বন্ধু। ইট-পাথরের গড়া এই জায়গাটিকে জটিল সমীকরণের স্থান বলেই মনে করেন অনেকে। কাজেই একেবারে উপায়ন্তর না দেখলে বা প্রয়োজন ছাড়া থানা প্রাঙ্গণে আসতে চান না সাধারণ মানুষ। ফলে পুলিশ এবং জনগণের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দূরত্ব রয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। জনগণ ও পুলিশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পুলিশের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যা পুলিশ ও জনতার মধ্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করছে। পুলিশ বিভাগের কিছু মেধাবী, সংস্কৃতিমনা, সৃজনশীল কর্মকর্তার ভিন্নধর্মী কর্মকাণ্ড আইনের রক্ষক পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। ফুল বন্ধুত্বের অন্যতম নিদর্শন। ফুল পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। আর এই ফুলের বাগান যদি হয় থানা প্রাঙ্গণ। ফুলের সৌন্দর্যে মোহিত হন থানায় আশা জনসাধারণ। নীলফামারী কিশোরগঞ্জ মডেল থানার রুপকার ওসি আবদুল আউয়ালের প্রচেষ্টায় থানা প্রাঙ্গণে গড়ে তোলা হয়েছে লাল, গোলাপি, হলুদ ও বাহারী রঙের বিভিন্ন জাতের ফুলের বাগান। থানার সম্মূখ ধারে গড়ে তোলা এই দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান থানার সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ। বিচারপ্রার্থীরা ছাড়াও কারণে-অকারণে বাগান দেখতে আসছেন ফুলপ্রেমী মানুষজন। আইনি সেবা কেন্দ্রে মনোহর ফুলের বাগান গড়ে ওঠার তা সবার নজর কেড়েছে। নান্দনিকতার রুপ আরও একধাপ বাড়িয়ে দিতে থানা অঙ্গনে লাগানো হয়েছে সারি সারি ভিয়েতনামের নারিকেল গাছ, হিমঘর, ঝর্ণাধারা, ওসির দরবার, আগন্তুকদের গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, ওসির কক্ষে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধীদের বসার জন্য সংরক্ষিত আলাদা আসন, শিশুবান্ধব কক্ষ,শিশু সুরক্ষা পুলিশ অফিসার, মহামানবদের জীবনীসহ আইনি সহায়তার জ্ঞানের তরী। পেশাগত দায়িত্ব পালনে অনড় থেকে এমন হাস্যজ্জল, সংস্কৃতিমনা, সদালাপী ব্যক্তিত্বের জন্য শহরজুড়ে প্রশংসিত হয়েছেন ওসি আব্দুল আউয়াল। মননে ফুলের সুশ্রী ধারণ করে আইনের সেবা প্রদানের প্রত্যয় জানালেন ওসি। আইনি সহায়তার জন্য আসা মানুষের মনে সৌন্দর্যের শান্তি বুলিয়ে দিতে থানা প্রাঙ্গনে বাগান করার কথা জানান তিনি। থানার ওসি বলেন, সাধারণ জনগণ থানাকে একটু অন্যভাবে দেখেন। আমি মনে করি পুলিশ জনগণের বন্ধু। থানা প্রাঙ্গণে ফুলের বাগান হলো পুলিশ ও জনতার বন্ধুত্বের নিদর্শন । যার মাধ্যমে আইনি সহায়তা প্রার্থীরা এখানে এসে প্রশান্তি লাভ করতে পারবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com